বজরং বাণ বাংলা PDF
বজরং বাণ
সম্পূর্ণ বজরং বাণ বাংলায় পড়ুন এবং বিনামূল্যে PDF ডাউনলোড করুন।
🌐 বাংলা ▾
বজরং বাণ বাংলা — সম্পূর্ণ পাঠ
যেকোনো পঙ্ক্তির উপর মাউস রাখুন এবং তার অর্থ দেখুন।
যেকোনো পঙ্ক্তিতে ট্যাপ করুন এবং তার অর্থ দেখুন।
জয় হনুমন্ত সন্ত হিতকারী।সুনি লীজৈ প্রভু অরজ হমারী॥ 1
জন কে কাজ বিলম্ব ন কীজৈ।আতুর দৌরি মহা সুখ দীজৈ॥ 2
জৈসে কূদি সিন্ধু মহি পারা।সুরসা বদন পৈঠি বিস্তারা॥ 3
আগে জায় লঙ্কিনী রোকা।মারেহু লাত গঈ সুর লোকা॥ 4
জায় বিভীষণ কো সুখ দীন্হা।সীতা নিরখি পরম পদ লীন্হা॥ 5
বাগ উজারি সিন্ধু মহঁ বোরা।অতি আতুর যম কাতর তোরা॥ 6
অক্ষয় কুমার কো মারি সংহারা।লূম লপেটি লঙ্ক কো জারা॥ 7
লাহ সমান লঙ্ক জরি গঈ।জৈ জৈ ধুনি সুর পুর মেং ভঈ॥ 8
অব বিলম্ব কেহি কারণ স্বামী।কৃপা করহু প্রভু অন্তর্যামী॥ 9
জয় জয় লক্ষ্মণ প্রাণ কে দাতা।আতুর হোই দুখ করহু নিপাতা॥ 10
জৈ গিরিধর জৈ জৈ সুখ সাগর।সুর সমূহ সমরথ ভট নাগর॥ 11
ওঁ হনু হনু হনু হনুমন্ত হঠীলে।বৈরিহিং মারু বজ্র সম কীলৈ॥ 12
গদা বজ্র লৈ বৈরিহিং মারৌ।মহারাজ নিজ দাস উবারৌ॥ 13
সুনি হঙ্কার হুঙ্কার দৈ ধাবো।বজ্র গদা হনু বিলম্ব ন লাবো॥ 14
ওঁ হ্রীং হ্রীং হ্রীং হনুমন্ত কপীসা।ওঁ হুঁ হুঁ হুঁ হনু অরি উর শীসা॥ 15
সত্য হোহু হরি সত্য পায় কৈ।রাম দূত ধরু মারু ধাই কৈ॥ 16
জৈ হনুমন্ত অনন্ত অগাধা।দুঃখ পাবত জন কেহি অপরাধা॥ 17
পূজা জপ তপ নেম অচারা।নহিং জানত হৈ দাস তুম্হারা॥ 18
বন উপবন জল থল গৃহ মাহীং।তুম্হরে বল হম ডরপত নাহীং॥ 19
পাঁয় পরৌং কর জোরি মনাবৌং।অপনে কাজ লাগি গুণ গাবৌং॥ 20
জৈ অঞ্জনী কুমার বলবন্তা।শঙ্কর স্বয়ং বীর হনুমন্তা॥ 21
বদন করাল দনুজ কুল ঘালক।ভূত পিশাচ প্রেত উর শালক॥ 22
ভূত প্রেত পিশাচ নিশাচর।অগ্নি বৈতাল বীর মারী মর॥ 23
ইন্হহিং মারু, তোহি শপথ রাম কী।রাখু নাথ মর্যাদ নাম কী॥ 24
জনক সুতা পতি দাস কহাও।তাকী শপথ বিলম্ব ন লাও॥ 25
জয় জয় জয় ধ্বনি হোত অকাশা।সুমিরত হোত দুসহ দুঃখ নাশা॥ 26
উঠু উঠু চল তোহি রাম দুহাঈ।পাঁয় পরৌং কর জোরি মনাঈ॥ 27
ওঁ চং চং চং চং চপল চলন্তা।ওঁ হনু হনু হনু হনু হনুমন্তা॥ 28
ওঁ হং হং হাঙ্ক দেত কপি চঞ্চল।ওঁ সং সং সহমি পরানে খল দল॥ 29
অপনে জন কো কস ন উবারৌ।সুমিরত হোত আনন্দ হমারৌ॥ 30
তাতে বিনতী করৌং পুকারী।হরহু সকল দুঃখ বিপতি হমারী॥ 31
ঐসৌ বল প্রভাব প্রভু তোরা।কস ন হরহু দুঃখ সঙ্কট মোরা॥ 32
হে বজরঙ্গ, বাণ সম ধাবৌ।মেটি সকল দুঃখ দরস দিখাবৌ॥ 33
হে কপিরাজ কাজ কব ঐহৌ।অবসর চূকি অন্ত পছতৈহৌ॥ 34
জন কী লাজ জাত ঐহি বারা।ধাবহু হে কপি পবন কুমারা॥ 35
জয়তি জয়তি জৈ জৈ হনুমানা।জয়তি জয়তি গুণ জ্ঞান নিধানা॥ 36
জয়তি জয়তি জৈ জৈ কপিরাঈ।জয়তি জয়তি জৈ জৈ সুখদাঈ॥ 37
জয়তি জয়তি জৈ রাম পিয়ারে।জয়তি জয়তি জৈ সিয়া দুলারে॥ 38
জয়তি জয়তি মুদ মঙ্গলদাতা।জয়তি জয়তি ত্রিভুবন বিখ্যাতা॥ 39
ঐহি প্রকার গাবত গুণ শেষা।পাবত পার নহীং লবলেষা॥ 40
রাম রূপ সর্বত্র সমানা।দেখত রহত সদা হর্ষানা॥ 41
বিধি শারদা সহিত দিনরাতী।গাবত কপি কে গুন বহু ভাঁতি॥ 42
তুম সম নহীং জগত বলবানা।করি বিচার দেখউং বিধি নানা॥ 43
যহ জিয় জানি শরণ তব আঈ।তাতে বিনয় করৌং চিত লাঈ॥ 44
সুনি কপি আরত বচন হমারে।মেটহু সকল দুঃখ ভ্রম ভারে॥ 45
এহি প্রকার বিনতী কপি কেরী।জো জন করৈ লহৈ সুখ ঢেরী॥ 46
যাকে পঢ়ত বীর হনুমানা।ধাবত বাণ তুল্য বলবানা॥ 47
মেটত আএ দুঃখ ক্ষণ মাহিং।দৈ দর্শন রঘুপতি ঢিগ জাহীং॥ 48
পাঠ করৈ বজরঙ্গ বাণ কী।হনুমত রক্ষা করৈ প্রাণ কী॥ 49
ডীঠ, মূঠ, টোনাদিক নাসৈ।পরকৃত যন্ত্র মন্ত্র নহীং ত্রাসে॥ 50
ভৈরবাদি সুর করৈ মিতাঈ।আয়ুস মানি করৈ সেবকাঈ॥ 51
প্রণ কর পাঠ করেং মন লাঈ।অল্প মৃত্যু গ্রহ দোষ নসাঈ॥ 52
আবৃত গ্যারহ প্রতিদিন জাপৈ।তাকী ছাঁহ কাল নহিং চাপৈ॥ 53
দৈ গূগুল কী ধূপ হমেশা।করৈ পাঠ তন মিটৈ কলেষা॥ 54
যহ বজরঙ্গ বাণ জেহি মারে।তাহি কহৌ ফির কৌন উবারে॥ 55
শত্রু সমূহ মিটৈ সব আপৈ।দেখত তাহি সুরাসুর কাঁপৈ॥ 56
তেজ প্রতাপ বুদ্ধি অধিকাঈ।রহৈ সদা কপিরাজ সহাঈ॥ 57
বজরং বাণ হনুমানের কাছে করা এক তীব্র আকুল আবেদন। হনুমান চালীসা যেখানে তাঁর গুণের স্তুতি করে, বজরং বাণ সেখানে সরাসরি তাঁর শক্তিকে আহ্বান করে — তাই ভক্তেরা প্রকৃত বিপদের সময় এটি পাঠ করেন। নামই বলে দেয় যে এই পাঠ তিরের মতো সোজা নিজের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
- ভয় ও নেতিবাচকতা থেকে রক্ষা: এই পঙ্ক্তিগুলি হনুমানের কাছে প্রতিটি অনিষ্ট শক্তি দূর করার প্রার্থনা করে।
- কঠিন সময়ে সাহস: যখন কোনো সমস্যা নিজের সামর্থ্যের চেয়ে বড় মনে হয়, তখন এটি পাঠ করা হয়।
- শক্তি ও স্থিরতা: এতে থাকা বীজ মন্ত্রগুলি পাঠকে বিশেষ বল ও একাগ্রতা দেয়।
- কখন: মঙ্গলবার ও শনিবার বিশেষভাবে শুভ বলে বিবেচিত হয়, আর সূর্যোদয়ের আগের ব্রহ্ম মুহূর্ত সর্বোত্তম।
- প্রস্তুতি: আগে স্নান করুন, পরিষ্কার পোশাক পরে পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে বসুন।
- প্রদীপ ও ধূপ: ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান এবং গুগ্গুলের ধূপ দিন — পাঠেই এর উল্লেখ আছে।
- সংখ্যা: একবার, বা কোনো বিশেষ কামনার জন্য এগারো বার পাঠ করুন। শ্রদ্ধার সঙ্গে করা একটি পাঠও যথেষ্ট।
- সমাপ্তি: শেষে হনুমানকে প্রণাম করুন এবং কৃতজ্ঞতা জানান।
